মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোকসজ্জায় বিখ্যাত চন্দননগর। দেশে-বিদেশে এই চন্দনগরের আলোকসজ্জা অত্যন্ত সুখ্যাতি অর্জন করেছে। জগদ্ধাত্রী পুজোতে চন্দননগর সেজে ওঠে এই আলোয়। বহু এলাকার মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন এই আলোকসজ্জা দেখার টানে। এবার অযোধ্যার দীপ উৎসবে যাবে চন্দননগরের আলোকসজ্জা। জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ রাম মন্দিরের (Ayodha Ram Mandir) সামনে বেশ কয়েক কিলোমিটার রাস্তা সজ্জিত হবে এই আলোকসজ্জায়। এর জন্য চন্দননগরের এক সংস্থার কাছে বরাত এসেছে ৮০ লাখ টাকার।
কী বললেন শিল্পীরা (Ayodha Ram Mandir)?
চন্দননগরের আলোকসজ্জার কাজ করা ওই সংস্থার কর্ণধার শিল্পী মনোজ সাহা বলেন, “অয্যোধ্যার দীপাবলিতে এবার চন্দননগর থেকে আলোকসজ্জা পাঠানো হবে। এই আলো নির্মীয়মাণ প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের রাম মন্দির যেতে (Ayodha Ram Mandir) রাস্তায় লাগানো হবে। শেষ মুহূর্তে এই কাজ জোর কদমে চলছে। সজ্জার ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। একপ্রকার আমাদের নাওয়া খাওয়া ছেড়ে এই কাজের প্রস্তুতি চলছে। রাতের অন্ধকারে আলোর মায়ায় রামনগরী উজ্জ্বল রূপে ফুটে উঠবে।”
আলো যাচ্ছে চিত্রকূটে
দীপাবলিতে চন্দননগরের আলোকসজ্জা শুধু অযোধ্যা যাচ্ছে না, যাচ্ছে রাজস্থানের চিত্রকূটে। শিল্পীরা জানিয়েছেন, আলোর খেলায় প্রভু শ্রীরামচন্দ্রকে তীর ধনুক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার চিত্রে তুলে ধরা হবে। একই ভাবে আলোকসজ্জায় তৈরি করা হচ্ছে সীতা, লক্ষণ, বজরংবলীর মডেল। উল্লেখ্য ২০২৪ সালে জানুয়ারি মাসেই উদ্বোধন করা হবে রাম মন্দির। সেই সময় চন্দননগরের আলো দিয়ে সজ্জিত করা হবে মন্দির চত্বরকে।
বরাত এসেছে ৮০ লাখ টাকা
অযোধ্যায় আলোকসজ্জার জন্য চন্দননগরের শিল্পীরা বরাত পেয়েছেন মোটা টাকার। সূত্রে জানা গিয়েছে সাহা ওই সংস্থা অয্যোধ্যার নদীর ধার, রাস্তা, নির্মীয়মাণ রাম মন্দির (Ayodha Ram Mandir) এলাকা এই আলোকসজ্জার দ্বারা সজ্জিত করবে। কর্ণধার জানিয়েছেন, “দুর্গাপুজোর আগে থেকেই আমাদের কাজ শুরু হয়েছে। মোট ৬০ জন কারিগর কাজ করছেন। বরাত এসেছে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা।”
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।
+ There are no comments
Add yours